ধূমপান হচ্ছে তামাক জাতীয় দ্রব্যাদি বিশেষ উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে শ্বাসের সাথে তার ধোয়া শরীরে গ্রহণের প্রক্রিয়া। সাধারণ যেকোনো দ্রব্যের পোড়ানো ধোঁয়া শ্বাসের সাথে প্রবেশ করলে তাকে ধূমপান বলা গেলেও মূলত তামাকজাতীয় দ্রব্যাদির পোড়া ধোঁয়া গ্রহণকেই ধূমপান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিভিন্ন বৈজ্ঞানিকগণসহ মোটামুটি সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত যে, ধূমপান যক্ষ্মা, ফুসফুসের ক্যান্সার সহ নানা রোগের অন্যতম প্রধান কারণ এবং ধারক ও বাহক।
ধূমপান ছাড়ার উপকারিতা
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর একথা সবার জানা কথা। কারণ, সিগারেটের প্যাকেটের গায়েই লেখা থাকে সতর্কীকরণ ‘Smoking Kills’। কিন্তু এবার গবেষকরা পুরুষ ধূমপায়ীদের জন্য আরো ভয়ঙ্কর তথ্য দিয়েছেন। আপনার ফুসফুসের ক্ষতি করে বা হার্টের বারোটা বাজিয়ে দেবে বা ক্যানসার হবে গোছের সতর্কতার কথা বলা হচ্ছে না। আরও ভয়ংকর কিছু, যা শুনলে যে কোনও পুরুষ অন্তত দু-বার ভাববেন, ধূমপান করার আগে।
ধূমপান করলে পুরুষাঙ্গ ছোট হয়? নাকি সেক্স কমে যায়? জানুন এখানে
ধূমপানের প্রকারভেদ
সক্রিয় ধূমপান :ধূমপায়ী যে অবস্থায় জলন্ত সিগারেট বা বিড়ি বা চুরুট থেকে উদ্ভূত ধোঁয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে মুখে টেনে সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করায় তাকে সক্রিয় ধূম্পান বলে।
নিস্ক্রিয় ধূমপান :ধূমপানের সময় ধোঁয়ার যে অংশ চারপাশের পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনৈচ্ছিকভাবে মানুষের দেহে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করে নিস্ক্রিয় ধূমপান বলে।
কারণ গবেষকরা বলছেন, নিয়মিত ধূমপানে পুরুষাঙ্গ ক্রমশ ছোট হতে থাকে। তা আপনি হেসে উড়িয়ে দিতে পারেনই। আপনার খালি চোখে ধরা না-ও পড়তে পারে। কিন্তু, ঘটনা হল ঘটনাই। সমীক্ষা রিপোর্টও তাই। সিগারেটের এই সাইডএফেক্টের গবেষণা রিপোর্টটি প্রকাশ করেছে বস্টন ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন।
ধূমপায়ী ২০০ পুরুষের ওপর টানা কিছু দিন ধরে গবেষণার পর, রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়। তাতে দেখা গিয়েছে ধূমপায়ী প্রত্যেক পুরুষের কাছ থেকে পাওয়া ফিডব্যাক এক-ই। প্রত্যেকেই একবাক্যে স্বীকার করেছেন পুরুষাঙ্গা ছোট হয়ে যাওয়ার কথা।
ছোট মানে, স্বাভাবিক অবস্থায় পুরুষাঙ্গের যে মাপ, তা ছোট হয়ে যাওয়ার কথা বলছেন না গবেষকরা। কিন্তু, যৌন উত্তেজনায় পুরুষাঙ্গ যতটা দীর্ঘ আগে হত, ক্রমে তা আর হবে না। ক্রমে পুরুষাঙ্গ সংকুচিত হয়ে পড়বে।
এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও দিয়েছেন গবেষকরা। পুরুষাঙ্গ হচ্ছে ইলাস্টিকের মতো।
উত্তেজনায় স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কয়েক গুণ বাড়ে। এবং, বাড়টা নির্ভর করে পুরুষাঙ্গ বা PENIS-এ রক্তসঞ্চালনের ওপর। ধূমপানে হার্টের যেমন ক্ষতি হয়, তেমনি ক্ষতি হয় PENIS-এর রক্তসংঞ্চালন পথের। ফলে, রক্তসঞ্চালনের পথে বাধা সৃষ্টি হয়। যে কারণে, যৌন উত্তেজনাতেও আগের মতো পুরুষাঙ্গ আর বাড়ে না।
