শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় অনেকেই ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়েন। শীতের সময় শরীরের অনাবৃত অংশ থেকে আদ্রতা বেরিয়ে গিয়ে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। ঠোট অনাবৃত থাকে বলে সহজেই শুকিয়ে যায়। একারণে ঠোঁট ফেটেও যায়, যা খুবই অস্বস্তিকর। শীতের সময় ঠোঁট ফাটা সমস্যা খুব সহজ কিছু উপায়ে এড়াতে পারেন।
শীতে ঠোঁট ফাটা সমস্যার ৯টি সমাধান জেনে নিন
১. প্রথমেই দেহের ভেতর থেকে ঠোঁটের পুষ্টি জোগাতে হবে। দেহের ত্বকের মতো ঠোঁটেরও হাইড্রেশন দরকার। অর্থাৎ দেহে যথেষ্ট পানি থাকতে হবে। তাই শীতের অলসতায় পানি খাওয়া কমিয়ে দেবেন না। বেশি পরিমাণ পানি, ফল ও সবজি খেতে থাকুন। এতে ঠোঁট এমনিতেই ময়েশ্চারসমৃদ্ধ থাকবে।
২. পেট্রোলিয়াম জেলির ব্যবহার নতুন কিছু নয়। এটি ঠোঁটের কোমলতা ও গোলাপি রং ধরে রাখে। তাই নিয়মিত ব্যবহার করুন। তবে ভালো মানের পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করবেন।
৩. বাইরে বেরোনোর আগে ঠোট জোড়াকে এসপিএফ ফর্মুলায় রক্ষা করুন। ঠোট ও কিন্তু ত্বকের মতোই। শীতের শুষ্ক মৌসুমে ঠোঁটও শুষ্ক হয়ে পড়ে। এসপিএফ ব্যবহারে ভেজা ভাব হারায় না ঠোঁট।
৪. ঠোঁট ফেটে গেলে দারুণ এক কাজের জিনিস গ্লিসারিন। এটি ত্বক ফাটার কাজেও বহুল ব্যবহূত উপকরণ। চোখ ও ঠোঁটের চারদিকে গ্লিসারিন লাগিয়ে নিতে পারেন।
৫. যদি ঠোট ফেটে যায়, তবে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার থেকে সাবধান হয়ে যান। পরিবর্তে আরো ক্রিমপূর্ণ এবং পিচ্ছিল লিপস্টিক লাগাতে হবে। এতে ঠোঁটে শীতের চেহারা থাকবে না।
৬. দিনের বেলায় শেয়া বাটার বেছে নিন। এতে এসপিএফ উপাদান রয়েছে। ঠোঁটে তাৎক্ষণিক পুষ্টির জন্য শেয়া বাটার অনন্য উপাদান।
৭. গোটা শীতে প্রতিদিনই নারকেল তেল লাগাতে পারেন ঠোঁটে। এতে কখনো ফাটা ভাব আসবে না। এর আরেকটি ব্যবহার রয়েছে। নাভিমূলে নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এতে কিন্তু ঠোট ময়েশ্চার পাবে।
৮. ভিটামিন ই রয়েছে এমন লিপ বাম ব্যবহার করুন। এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের দারুণ উৎস। ঠোঁটের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ভিটামিন ই সমৃদ্ধ লিপ বাম বেশ কাজের।
৯. ফেটে যাওয়া ঠোট এর যত্নে মধু ও চিনির মিশ্রণ জাদুর মতো কাজ করে। এটা ঠোঁটের যত্নের পুষ্টিকর উপায়। এতে ঠোঁট হবে কোমল ও মসৃণ।