গোসল ফরজ অবস্থায় পানি না পাওয়া গেলে মহানবী (সা:) যা করতে বলেছেন

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) শরীর পবিত্র রাখার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রতিদিন আমাদের শরীর বিভিন্ন কারণে অপবিত্র হয়ে যায়। পরে অবশ্য ওযু করে পুনরায় পবিত্রতা অর্জন করি। ওযু করতে পানির প্রয়োজন হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো পানি যদি আশে পাশি কোথাও না পাওয়া যায় তাহলে কি করতে হবে?

পানি

গোসল ফরজ অবস্থায় পানি না পাওয়া গেলে মহানবী (সা:) যা করতে বলেছেন

এ বিষয়ে আমার দীনের নবী ব্যাখ্যা দিয়েছেন। প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ হজরত মাহমুদ ইবনে গায়লান (রহ.) থেকে বর্ণিত আছে, হযরত আবু যর গিফারি (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, দশ বছর ধরেও যদি কেউ পানি না পায়, তা হলেও পবিত্র মাটি একজন মুসিলিমের জন্যে পবিত্রতার উপকরণ বলে বিবেচিত হবে।

 

অর্থাৎ সে তায়াম্মুম করবে। এরপর সে যখন পানি পাবে, তখন সে তা দিয়ে আপন শরীর ধুয়ে নেবে। এটাই তার জন্যে উত্তম। মাহমুদ ইবনে গায়লান (রহ.) তার বর্ণনায় আরো উল্লেখ করেছেন যে, পবিত্র মাটি মুসলিমের জন্যে অজুর উপকরণ। ইমাম তিরমিজি (রহ.) বলেন, সাধারণভাবে সকল ফকিহ ও ইসলামি আইনজ্ঞের অভিমত হলো, গোসল ফরজ হলে এবং ঋতুমতী নারীদের কেউ যদি পানি না পায় তবে তাকে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করে নিতে হবে এবং এভাবেউ সে নামাজ আদায় করে নেবে।

About Health BD 24

আফসানা শাহিন মুন্নী, একজন ব্যাংক কর্মকর্তা , সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক খুলনা শাখার সাবেক সিনিয়র অফিসার। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Check Also

শাড়ি পরার সময়

শাড়ি পরার সময় যে বিষয়গুলো অবশ্যই লক্ষ্য রাখা উচিত

শাড়ি বাঙালি নারীর ঐতিহ্য। শাড়িতেই যেন বাঙালি নারীর সৌন্দর্য ফুটে উঠে পুরোপুরি। আর শাড়ির সাথে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.