ফুলশয্যার রাতে একজন পুরুষ স্ত্রীর কাছে থেকে যা আশা করে

ফুলশয্যার রাতে একজন পুরুষ স্ত্রীর কাছে থেকে যা আশা করে
ফুলশয্যার রাতে একজন পুরুষ স্ত্রীর কাছে থেকে যা আশা করে

বিয়ের প্রথম রাতকে বলা হয় ফুলশয্যা।প্রত্যেক নারী-পুরুষের জীবনে একবার ফূলশয্যা আসে।ফুলশয্যার রাতটি একজন নারী এবং একজন পুরুষের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা।সবাই এই রাতটির জন্য অপেক্ষা করে।নারী এবং পুরষের অনেক স্বপ্ন,টাওয়া-পাওয়া পূরণ হওয়ার রাত এটি।নারী তার পিতার গৃহ ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি আসে এবং নারীর কাছ থেকে পুরুষ কিছু জিনিস আশা করে।সেই জিনিসগুলো কি কি সেই বিষয় নিয়ে আজকের আর্টিকেল।চলুন দেখা যাক ফুলশয্যার রাতে একজন পুরুষই স্ত্রীর কাছে থেকে যা আশা করে
১। স্ত্রীকে দেখা যাবে পরীর মত :
মানুষ জীবনে স্বভাবিকভাবে বারবার বিয়ে করেন না, ফুলশয্যার এই বিশেষ রাতটি বারবার ফিরে আসে না এবং প্রত্যেক পুরুষই স্ত্রীকে সেদিন নিজের স্বপ্ন কন্যা রূপে দেখতে চান। পুরুষ আশা করে যে, স্ত্রীকে দেখাবে পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর রমনীর মত।
২। স্ত্রীর জীবনে তিনিই প্রথম পুরুষ 🙁মেয়েদের ভার্জিনিটি চেনার উপায়) এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধিকাংশ পুরুষ আশা করেন তার  স্ত্রী ভার্জিন হবে
। অর্থাৎ তিনিই হবেন প্রথম পুরুষ যার সাথে স্ত্রী প্রথম যৌন মিলন  করছে।
৩। একটু লজ্জা, একটু ছলকলা:
লজ্জা নারীর ভূষণ, এই কথাটি ফুলশয্যার রাতেই যেন সবচাইতে বড় সত্য। বিয়ে প্রেমের হোক বা পারিবারিক, প্রত্যেক পুরুষই এই বিশেষ রাতে আশা করে থাকেন যে স্ত্রী একটু লজ্জা পাবেন। একটু প্রেমের ছলকলা খেলবেন, আর তবেই ধরা দেবেন প্রেমের বন্ধনে।
৪। সমৃদ্ধ জীবনের আশ্বাস :
দুজনে একত্রে নতুন জীবন শুরু করতে চলেছেন, বিয়ের এই প্রথম রাতটি তাই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। পরস্পরকে আশ্বাস ও প্রতিজ্ঞা করার জন্য আদর্শ সময়। স্বামীও আশা করেন যে স্ত্রী তাঁকে একটু সুখের সংসারের আশ্বাস দেবেন।
৫। নিজের প্রশংসা :
নিজের প্রশংসা শুনতে কে না ভালোবাসে? আর পুরুষেরা তো স্ত্রীর মুখে নিজের প্রশংসা শুনতে সবচাইতে বেশি পছন্দ করেন। বিয়ের প্রথম রাতেই এই প্রত্যাশা থাকে সবচাইতে বেশি।
৬। শ্বশুর বাড়ির প্রাপ্তি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ :
বিয়েতে কী হলো, কী হলো না, কী পেলেন, কী পেলেন না ইত্যাদি নিয়ে হতাশা বা ক্ষোভ ব্যক্ত না করে যা পেয়েছেন সেটা নিয়েই সন্তুষ্টি প্রকাশ করুন। দেখবেন স্বামীর চোখে আপনার সম্মান হয়ে উঠেছে আকাশচুম্বী।
৭। নিজের ভার স্বামীর হাতে ছেড়ে দেয়া :
এটা সেই বিশেষ রাত, যে রাতে স্ত্রী নিজেকে অর্পণ করেন স্বামীর জীবনে। নিজের দায়িত্ব ছেড়ে দেন স্বামীর হাতে। আর আপনি যতই স্বাধীনচেতা নারী হয়ে থাকুন না কেন, আপনার স্বামী কিন্তু সারা জীবনই চাইবেন যে আপনি তাঁকে বিশ্বাস ও ভরসা করুন। আর এই কাজটি বিয়ের রাতে করলে খুশি হয়ে ওঠেন সকল পুরুষই।

অাপনার সুখি জীবনই অঅমাদের কাম্য।যেকোন স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন আপনার ডক্টর.কম ।ধন্যবাদ
আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ

About Health BD 24

আফসানা শাহিন মুন্নী, একজন ব্যাংক কর্মকর্তা , সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক খুলনা শাখার সাবেক সিনিয়র অফিসার। বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য নিয়ে লেখালেখি করি।

Check Also

সমালোচনা

অন্যের সমালোচনা নয়, আত্মসমালোচনা বুদ্ধিমানের কাজ!

“জানেন ভাবী, পাশের ফ্লাটের রুমকিকে নাকি আজ দেখতে এসেছিল। ছেলে সরকারি জব করে। বিয়ের কথা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.