চুল রিবন্ডিং/ Hair Rebonding এর প্রতি আমাদের সবার আলাদা একটি আকর্ষণ থাকে। বর্তমানে Rebonding করা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। সোজা, সিল্কি চুল পেতে সবাই ভালবাসে। আর তাই হাজার হাজার টাকা ব্যয় করে আমরা করছি চুল রিবন্ডিং
স্ট্রেট বা সোজা চুল কে না চায়! আর সেজন্য অনেকেই চুল Rebonding করান। Rebonding করতে অনেক কেমিক্যাল ব্যবহার করার কারণে চুলের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় চুল পড়ার সাথে ভঙ্গুরও হয়ে যায়। তাই রিবন্ডিং করা চুলের জন্য চাই বাড়তি যত্ন। আসুন জেনে নেয়া যাক এই ধরনের চুল কিভাবে যত্ন নেবেন।
Rebonding করা চুলের যত্ন করবেন যেভাবে
রিবন্ডিং চুল খোলা রাখা হয় বলে দ্রুত ময়লা হয়ে যায়। তাই সপ্তাহে অন্তত তিনদিন শ্যাম্পু করুন। চুল রুক্ষ হয়ে গেলে অবশ্যই মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। আর শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার লাগাতে একেবারেই ভুলবেন না।
চুল যেদির শ্যাম্পু করবেন তার আগের দিন রাতে নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল চুলে ভালভাবে ম্যাসেজ করুন। এরপর মোটা দাাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল কিছুক্ষণ আঁঁচড়ে নিন। গোসলের আগে গরম পানিতে তোয়ালে ডুবিতে চুল কিছুক্ষণ পেঁচিয়ে রাখুন। এতে মাথায় রক্ত সঞ্চালন বাড়বে ও চুলের রুক্ষভাব কমবে।
Rebonding চুলের বাড়তি যত্নে ক্ষেত্রে প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য একটি ডিমের সঙ্গে ১ চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল, ১ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এরপর এটি গোড়াসহ সম্পূর্ণ চুলে লাগান। শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে ফেলুন। পরে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
চুল নিস্তেজ হয়ে পড়লে শ্যাম্পু করার পর দুই লিটার পানিতে কয়েক ফোঁটা ভিনেহগার মিশিয়ে চুল ধুতে পারেন। এতে চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।
খুশকির সমস্যা বাড়লে মাথার তালুতে লেবু বা পেঁয়াজের রস লাগান।
চুলের সিল্কি ভাব ধরে রাখতে চার কাপ পানিতে চা-পাতা ফুটিয়ে ঠা্লা করে ছেঁকে নিন। এরপর সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
এভারে নিয়মিত যত্ন নিলে রিবন্ডিং করা চুল সুন্দরই হবে না, একই সঙ্গে এর স্থায়ীত্বও বাড়বে।
আরো অনেকে খুজেছে
rebounding চুলের যত্ন;
