মেকআপের অন্যতম একটি অনুষঙ্গ হল ফেস পাউডার(Face powder) । চোখে কাজল, ঠোঁটে লিপস্টিক এবং হালকা ফেসপাউডার(Face powder) দিয়ে অনেকেই সাজ শেষ করেন। বাজারের ফেসপাউডার(Face powder) ব্যবহারে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
নিজেই বানান ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ফেস পাউডার
আপনি যত দামী ব্র্যান্ডের ফেসপাউডার(Face powder) ব্যবহার করেন না কেন, বাজারের কোন ফেস পাউডারই(Face powder) রাসায়নিক উপাদানমুক্ত নয়। প্রতিদিন ফেসপাউডার(Face powder) ব্যবহারে এর কেমিক্যালগুলো আপনার ত্বকে ধীরে ধীরে ক্ষতি করে। এই ক্ষতির হাত থেকে মুক্তি পেতে চান? নিজেই তৈরি করে নিন নিজের ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ফেসপাউডার(Face powder) ।
হালকা শেডের ফেসপাউডার(Face powder) তৈরির উপায়:
যা যা লাগবে:
২ চা চামচ অ্যারারুট পাউডার অথবা কর্ণস্টার্চ পাউডার
১/৪ চা চামচ কোকো পাউডার (কফি পাউডার ব্যবহার করতে পারেন)
১/৬ চা চামচ দারুচিনির গুঁড়ো
কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল
মাঝারি শেডের ফেস পাউডার(Face powder) তৈরির উপায়..
যা যা লাগবে:
৩ চা চামচ অ্যারারুট পাউডার অথবা কর্ণস্টার্চ পাউডার
১.৫ চা চামচ কোকো পাউডার
১/৪ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো
কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল
গাঢ় শেডের ফেস পাউডার(Face powder) তৈরির জন্য যা যা লাগবে:
২ চা চামচ অ্যারারুট পাউডার অথবা কর্ণস্টার্চ পাউডার
২.৫ চা চামচ কোকো পাউডার
১/৪ চা চামচ দারুচিনির গুঁড়ো
কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল
যেভাবে তৈরি করবেন:
১। প্রথমে অ্যারারুট পাউডারের সাথে দারুচিনির গুঁড়ো মেশান। আপনার পছন্দ শেডের জন্য পরিমাণমত কোকো পাউডার এবং দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে নিন।
২। এরসাথে এসেনশিয়াল অয়েল মেশান। খুব বেশি পরিমাণ এসেনশিয়াল অয়েল মেশাবেন না।
৩। ফেস পাউডার(Face powder) দীর্ঘ সময় ত্বকে ধরে রাখার জন্য এরসাথে এক দুই ফোঁটা ভিটামিন ই অয়েল মেশাতে পারেন।
৪। ঘন তুলির ব্রাশ দিয়ে ফেসপাউডার ত্বকে ব্যবহার করুন।
