মেয়েদের রূপচর্চায় ক্যাস্টর অয়েল দারুণ একটি পণ্য ।এই ক্যাস্টর অয়েল চুল, চোখের পাপড়ি বা আইভ্রু ঘন ও নুতন করে গজানোর জন্য দারুণ কার্যকরী ।ক্যাস্টর অয়েল বা রেড়ির তেল রেড়ি উদ্ভিদের বীজ থেকে আহরিত তেল।ক্যাস্টর অয়েল বর্ণহীন বা ফ্যাকাশে হলুদ বর্ণের হয় এবং এর গন্ধ অপ্রীতিকর হয়।

ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে মেয়েদের অসাধারণ কিছু সৌন্দর্য উপকারিতা
চুলের যত্নেঃ
চুল বৃদ্ধিতে ক্যাস্টর অয়েল সাহায্য করে। এতে রয়েছে রিসিনলিয়েক অ্যাসিড যা ত্বকের পিএইচ-এর মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের ভারসাম্য বজায় রাখতেও ক্যাস্টর অয়েল উপযোগী। বিভিন্ন প্রসাধনীতে থাকা কেমিকল এবং ‘স্টাইলিং টুল’ ব্যবহারের কারণে চুলের ক্ষতি পুষিয়ে নিতেও এটি বেশ উপকারী।
ক্যাস্টর অয়েল বেশ ঘন তাই এর সঙ্গে অলিভ অয়েল এবং নারিকেল তেল মিশিয়ে মাথার ত্বকে মালিশ করতে হবে। সারা রাত বা দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন ব্যবহারেই পার্থক্য চোখে পড়বে।
ভ্রু এবং পাপড়ির জন্যঃ
ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান এবং ফাইটোকেমিকল, যা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আরও আছে প্রোটিন এবং ফ্যাটি অ্যাসিড। যা পাপড়ি এবং ভ্রু ঘন করে।
তুলা বা আঙ্গুলের সাহায্যে অল্প পরিমাণে ক্যাস্টর অয়েল রাতে ঘুমানোর আগে ভ্রুতে লাগিয়ে নিন। পুরানো মাস্কারার তুলির সাহায্যে চোখের পাপড়িতেও এই অয়েল লাগানো যায়। প্রতি রাতে ব্যবহারে পাওয়া যাবে সুফল।
আরো কিছু কথাঃ
⇒ চুল পড়া রোধে এটি ব্যবহার করা যায় এবং এর সাথে অন্য কিছু মেশানর দরকার নেই।
⇒ হাতের তালুতে একটু তেল নিয়ে চুলের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত লাগাতে হবে যেভাবে আপনি আপনার অন্য ম্যাসাজ অয়েল লাগান এবং ভালোভাবে ম্যাসেজ করতে হবে ।
⇒ লক্ষ্য রাখুন তেলের পরিমাণ যাতে বেশী না হয় কারণ এটি একটু ঘন তাই বেশী লাগালে পরিষ্কার করা দুস্কর হয়ে পড়বে ।
⇒ চুলে তেলটি ১৫-২০ মিনিট রাখুন এরপর কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে শ্যাম্পু করুন।
⇒ এছাড়া, এই তেল মাথায় ম্যাসেজ করে সারা রাত রাখুন এবং সকাল বেলা শ্যাম্পু করুন।
⇒ তেল যাতে আপনার বালিসে বা বিছানার চাদরে না লাগে সেজন্য আপনার চুল একটি কটন নরম টাওয়েল দিয়ে ঢেকে রাখুন ।
⇒ আপনি এই তেল অন্য কোন কিছুতে মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন যেমন পেপারমিন্ত এর সাথে আরও বেশী কার্যকরীতা পাওয়ার জন্য।