প্রকৃতির হাওয়া বদল হতে শুরু করেছে। দিনে গরম লাগে, আবার রাতের দিকে বেশ একটা শীত শীত ভাব। এই গরম ঠান্ডার মধ্যে মৌসুমি জ্বরও তার প্রভাব বিস্তার করে। এই ভাইরাল জ্বর বায়ুবাহিত হওয়ায় দ্রুত একজনের মাধ্যমে আরেকজন সংক্রমিত হয়।এই মৌসুমে জ্বর অসুখটা চারদিকে খুব ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই জ্বরকে খুব একটা পাত্তা দিতে চান না। কিন্তু জেনে রাখুন, জ্বর নিজে অসুখ না হলেও আসলে কিন্তু অসুখের লক্ষণ। তাই জ্বর হলে হেলাফেলা মোটেও চলবে না।

জ্বর সারাতে সাহায্য করে যে ৯টি খাবার জেনে রাখুন
অনেকে ঠাট্টা করে বলেন- “ওষুধ খেলে জ্বর সারে ৭ দিনে, না খেলে সাড়ে এক সপ্তাহে।” ব্যাপারটা ঠাট্টা করে বলা হলেও এক অর্থে কিন্তু ঠিক। জ্বরের মাঝে অনেক বেশি কাজে দেয় ঘরোয়া পথ্য ও সেবা। আসুন, আজ জেনে নেই এমন কিছু খাবারের কথা, যেগুলো জ্বরের মাঝে অত্যন্ত উপকারী।
১ঃআদা
চা অথবা গরম জলে লেবুর সঙ্গে মিশিয়ে আদা কুচি খেতে পারেন। এটি ব্যাকটেরিয়াজনিত ইনফেকশনের সঙ্গে লড়াই করে।
২ঃচিকেন স্যুপ
জ্বরের মাঝে চিকেন স্যুপ একটি আদর্শ খাবার। এটি শুধু jor সারাতেই নয়, শরীরের বল যোগাতেও সহায়ক। বেশি করে আদা ও গোল মরিচ দিয়ে পান করুন চিকেন স্যুপ।
৩ঃতুলসীপাতা
১ চা চামচ জিরা এবং ৪-৬টা তুলসীপাতা এক গ্লাস পানিতে নিয়ে সিদ্ধ করে সেখান থেকে প্রতিদিন দুইবার ১ চা চামচ করে খেলে জ্বর দ্রুত কমবে।
৪ঃমৌসুমি ফলমূল
মৌসুমি ফলে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেনট, যেগুলো jor থেকে দ্রুত সারিয়ে তোলে।
৫ঃচালের সুজি
জ্বরের সময় আরেকটি উপকারী খাবার হলো চালের সুজি, সঙ্গে সামান্য আদাকুচি ও সিদ্ধ করা সবজি।
৬ঃকিশমিশ
জ্বরে আক্রান্ত রোগীর জন্য কিশমিশ একটি উপকারী খাবার। কিশমিশে আছে ভিটামিন-সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।
৭ঃশিং-মাগুর মাছের ঝোল
jor এর মাঝে দ্রুত সুস্থ হতে ও শক্তি ফিরে পেতে দেশি শিং ও মাগুর মাছের ঝোল একটি আদর্শ খাবার।
৮ঃগোলমরিচ ও লবঙ্গ
নরম ভাত, খিচুড়ি অথবা আলু সিদ্ধর সঙ্গে একটু গোলমরিচ ও লবঙ্গ মিশিয়ে খেলে জ্বরে উপকার হবে।
৯ঃটমেটো ও গাজরের স্যুপ
জ্বরের রোগীর জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো টমেটো ও গাজরের স্যুপ।